Skip to main content

Posts

Showing posts from September, 2017

যতটা দূরে

দেখতে দেখতে ৮টা বছর চলে গেলো হয়তো স্থানটি আগের মতো নেই !! সময়টা আগের মতোই , সেই মৃদু রোদ , হালকা হাওয়ায় গাছের পাতাগুলো নড়ছে!! শুধু আশেপাশের মানুষগুলো আর সময়ের সাথে অবস্থানও পরিবর্তন হয়েছে। ......... দিনটা ছিল ১৩ই ফেব্রুয়ারী। ফাল্গুনের উৎসবে মাতোহারা সকলেই। হয়তো বাঙ্গালিরা এসকল উৎসবে মেতে উঠতে পছন্দ করে । আর তাই আশেপাশের মানুষগুলোও সেই ট্রাডিশন অনুযায়ী পরিবেশকে উৎসব উপযোগী করে তুলেছে। আমি একাকী বসে আছি। মগ্ন হয়ে গাছের পাতাগুলো দেখছিলাম। হয়তো আশেপাশের পরিবেশ দেখে মনে হচ্ছিল আজকেই ভ্যালেন্টাইন ডে। হয়তো টি-শার্টে আমাকে অন্যদের থেকে ব্যাতিক্রম মনে হচ্ছে। কিন্তু আমি পাত্তা দেই না মানুষ এর নজরকে !! হঠাৎ পিছন থেকে এসে একজন চোখ দুটো চাপ দিয়ে ধরলো। আমি একটু অবাক হয়ে গেলাম।আমার তো আর কেউ নেই যে আমার সাথে এমন কিছু হবে। হঠাৎ মিষ্টি একটু স্বরে শোনা গেল - "অনুপম" 'বলতো আমি কে ?' আমি- ঊম্ম ... হবে কোনো এক মেয়ে অথবা এক প্রেয়সী । (মেয়েটি হাত ছেড়ে সামনে এসে দাঁড়ালো ) আমি তো অবাক । কিন্তু কি কারণে অবাক তা বুঝলাম না। হয়তো তার সাজসজ্জা দেখে অথবা তার এই ব্যবহার দেখে কেন...

বৃদ্ধাশ্রম

দীর্ঘ ১০ ঘণ্টা পর পুলিশ তাদের কার্জক্রমে সফল হয়েছে। এই মাত্র জানা গেল যে, "বৃদ্ধাশ্রম" গ্রুপের দলনেতা সহ আরো ৪ জন আটক। গত তিন ধরে এই গ্যাং বিভিন্ন বাড়িতে চুরি করে যাচ্ছে এবং সাথে একটা করে চিরকুট দিয়ে যাচ্ছে। প্রতিটি চিরকুটের লেখা দেখে পুলিশপক্ষ কিছুই বুঝে উঠতে পারে না! থাকুন আমাদের সাথে এবং লাইভ আপডেটের মাধ্যমে জানতে শেষ পরিস্থিতি। ----আমি জুয়েল রানা, খবর ঢাকা। (দেশের অবস্থা এখন চরম বিপর্যয়ে।র‍্যাব আর পুলিশ মিলে দেখি সত্য উতঘাটন করতে পারে নাকি!এ ধরণের চুরি যদিও সবসময় দেখা যায় না তবে দেখি তাদের কারণ্টা কি!) পুরো দেশের জনতা চোরদের লক্ষ্য এবং কারা চোর এটা জানতে ব্যাকুল। সবার মনে কেবল একটাই কথা কারা এবং কেন? কিছুক্ষণ আগে জানা গেল বৃদ্ধাশ্রম দলের সকলকে রিমান্ডে আনা হয়েছে। জনতাকে পুলিশবাহিনী নিরাপদ থাকতে বলছে এবং তাদের সুরক্ষিত রাখার দায়ভার তারা নিয়েছে। উক্ত ঘটনাস্থলে উপস্থিত জুয়েল রানার কাছে আমরা একটি বিরতির পর যাবো। অতএব সাথেই থাকুন। ঘটনাস্থল (রিমান্ড কক্ষ) -- স্যার,স্যার! -- কি হয়েছে? -- দলের মেম্বারদের মুখোশ খোলা হয়েছে! -- তো এমন কি হয়েছে? তুমি এতো ঘামছো কেন?...

অতপর কনফেশন ৩

তিন দিন ফেস্ট শেষ করার পর ক্লান্ত অবন্তিকা বাসায় এসে এক বিরাট ঘুম দিল। ঘুম ভেঙে সে দেখলো তার ফোনে তার বন্ধু রাহির ১৩ মিসড কল! ঘুমন্ত অবস্থায় সে রাহিকে ফোন দিল! -- হুম দোস্ত বল! -- কই তুই? --- বাসায়! কেন কি হয়ছে? -- তাড়াতাড়ি এফবি  তে যা! কাহিনী কি দেখ! -- কেনো কি হয়ছে? -- তুই আগে দেখ!! রাহির কণ্ঠ শুনে একটু ভয় পেল অবন্তিকা! তাড়াতাড়ি ফেবুতে ঢুকে সে দেখলো তাকে একটা পোস্টে অনেক ফ্রেন্ডই মেনশন করেছে! সে পোস্টটি ওপেন করে দেখলো যে পোস্টটি কনফেশনের! সাথে তার একটা Skech করা ছবি ♥ " X College" Crushes and Confessions Post No- 158 প্রিয় অবন্তিকা, শুরুটা টলস্তয়ের একটা উক্তি দিয়ে করি! “ The whole world is divided for me into two parts: one is she, and there is all happiness, hope, light; the other is where she is not, and there is dejection and darkness...” ― Leo Tolstoy, War and Peace  :) কথাটার মর্ম এখনো ঠিক মতো আমি বুঝি নি তবুও কেনো জানি ভালো লেগেছে! আর আমার She যে তুমি তা অনেক সময়ের পরই বুঝেছি ♥ শুরুটা আমাদের কলেজের ফেস্টে ♥ প্রথম দেখাটা তেমন আকর্ষণীয় নয় তবে ...

আবার এলো যে সন্ধ্যা ♥

-- আচ্ছা!  আজকের আবহাওয়াটা সুন্দর তাই না? -- হ্যা!  বলা যেতে পারে! আবিদ অর্পার দিকে অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলো! আজ আবিদের প্রথম কোনো মেয়ের সাথে রিক্সায় ওঠা! আবিদ ভয়ে  অর্পার  হাত দুটো পর্যন্ত ধরতে পারছিল না। কিন্তু তার অনেক ভালো লাগছিল কেননা প্রিয় মানুষের সাথে রিক্সায় ঘুরতে ভালোই লাগে। কিছুক্ষণ পর  অর্পার  হাত আবিদের হাত দুটোকে স্পর্শ করলো!আবিদ চমকে উঠলো এবং তার দিকে তাকালো।  -- তুমি অত্যন্ত বোকা! হাত দুটো ধরতেও তোমার এতো ভয় লাগে! কথাটি বলে অর্পা আবিদের ঘাড়ে মাথা রাখে এবং আবিদ শক্ত করে হাত দুটো ধরে তার! পড়ন্ত বিকালে এধরণের মূহুর্তগুলো অত্যন্ত সুন্দর। ভালোবাসাময় এই সময়গুলো হয়তো জীবনের অন্যতম ভালো সময়ের মধ্যে পড়ে। কিছু ভালো লাগা, কিছু ভয়,কিছু অনুভূতি,কিছু ভালবাসা নিয়েই এই মুহূর্তগুলো শুরু হয় ♥ সিনেমা দেখতে আসাটা ছিল একধরণের বাহানা!  সিনেমা দেখার ছলে তোমাকে দেখাই আমার সিনেমা দেখা♥ ঠিক তেমনও অর্পা Annabella দেখতে মশগুল আর আবিদ অর্পাকে ♥ আবিদ সাহস নিয়ে  অর্পার  হাত ধরে তার কাধে মাথা রেখে সিনেমা দেখতে লাগলো...

একটি মধ্যবিত্ত ভালবাসার গল্প

কিছু গল্প সবসময় এক হয় না!  পার্থক্য, ভেদা-ভেদ সবকিছুতেই থাকে।ঠিক তেমনি ভালবাসার গল্পগুলোতেও কিছু মিল-অমিল পাওয়া যায়!আর আজকে ঠিক তেমনি অতি সাধারণ একটা গল্প তুলে ধরতে যাচ্ছি! 'মধ্যবিত্ত' শব্দটা হয়তো সকলেরই অনেক পরিচিত। মধ্যবিত্ত মানুষগুলো ধনী-গরীব হতে সম্পূর্ণ ভিন্ন।তাদের চিন্তা-ভাবনা,চলাফেরা এমনকি জীবনযাপনও ভিন্ন। আর মধ্যবিত্ত ভালবাসা এর মানে বুঝাই যাচ্ছে এর মধ্যেও কিছুটা ভিন্নতা আছে! ♥ কলেজ পড়ুয়া মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলের সাথে প্রেম করা বর্তমান যুগের মেয়ের জন্য তুলনামুলক প্যারাময়! কেননা এইসকল ছেলের থাকে না টাকা-পয়সা,মোটরসাইকেল আর কত কি!  কিন্তু মেয়েরা ভুলে যায়, অন্যদের মতো ঐ ছেলেদেরও সুন্দর একটা মন আছে, তারাও ভালবাসতে জানে!  টাকা-পয়সা বাইক এইসব শো অফ করাই কি ভালবাসা?? প্রেমিকার জন্মদিনে বড় অনুষ্ঠান করা, এ্যানিভার্সারি পালন করা আর আজাইরা টাকা খরচও কি ভালবাসা?? :/ ভালবাসা এমন হতে পারে না........ ১০০ টাকায় রিক্সা ভাড়া করে কিছুদূর ঘুরা! পাশাপাশি বসে একসাথে ফুচকা খাওয়া!♥ জন্মদিনে/অথবা অন্যকিছুতে টিফিনের এবং যাতায়াতের টাকা বাঁচিয়ে প্রিয় মানুষের জন্য ছোট্ট কিছু করা ...