Skip to main content

Posts

100 Words (Part-15:Honeymoon Period)

১ম প্রফ শেষ হওয়ার ৭ দিন পরও কেনো জানি পরীক্ষার সেই প্রেসারের ক্লান্তি শেষ হচ্ছিলো না, ঘুম থেকে উঠতে না উঠতেই নোটিশ পেলাম ২২শে ফেব্রুয়ারী থেকে থার্ড ইয়ারের ক্লাস শুরু!  ফ্রেশ হয়ে ভাবলাম আগে তাকে জানায়, উলটো দেখি তার মেসেজ ফোনে চলে এসেছে অনেক আগেই!  এই ছুটি হয়তো তার জন্য সবচেয়ে ভালো গিয়েছে,পরিবারের সাথে সময় কাটাচ্ছে,চা-বাগানে ঘুরতে গিয়েছে!  একদিকে ভালো হয়েছে,মেয়েটা অনেক প্যারায় ছিলো! এই রিফ্রেশমেন্টটা দরকার ছিলো, এই দিকে আমি গরুর মতো খাই আর ঘুমাই!  এরপর তিনি আমাকে বুকলিস্ট রেডি করতে বললো, আমিও তার কথায় হা মিলিয়ে খবর নেওয়া শুরু করলাম!  সিনিয়র ভাইদের সাথে কথা শুরু করলাম, সবার একটাই কথা মেডিকেলের থার্ড ইয়ারকে বলে বলা হয় হানিমুন পিরিয়ড এবং এই এক বছর বলে অনেক প্যারা কম, কারণ মাত্র দুইটা সাবজেক্ট আর তাছাড়াও ওয়ার্ড প্লেসমেন্ট তো আছেই!  সব মিলিয়ে অনেক প্যারাহীন এক বছর যাবে! আমার এই অবুঝ মন তাদের লজিকমার্কা কথা শুনে অনুপ্রাণিত হয়ে সেইম ডায়ালগ আমার প্রিয়তমাকে শুনালাম! আমার প্রিয়তমার মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখে, আমি তাকে বললাম চা-বাগানের সৌন্দর্য উপভোগ করো এইদিকে আপনার মনোযো...

100 Words (Part-03:Nerve Plexus)

:ধন্যবাদ তোমাকে! :ওমা কিসের জন্য?! আমি আবার কি করলাম?! :এই যে আমাকে এতো প্যারাদায়ক সপ্তাহ শেষে কাশফুল দেখতে নিয়ে আসার জন্য।  :উম! তাহলে তোহ আমারও তোমাকে ধন্যবাদ দেওয়া উচিত!  :কেনো? :কারণ আপনি এই প্যারাদায়ক সপ্তাহে মানসিকভাবে আমাকে অনেক সাহায্য -সহযোগিতা করেছেন! তাছাড়াও আজকে বৃহস্পতিবার আমাদের চিলিং ডে,  এমনিও প্ল্যান ছিলো অনেক কিছু! শরীরের ক্লান্ততার কারণে এই হালকা-পাতলা প্ল্যান।  :সেটা জানি!  আমি জানি তোমার আজ মন খারাপ।  :কে বললো? মোটেও না।হিস্টোলজির ভাইভা ভালো হয়েছে, ছবি-লেখা সব শেষ করেছি,আর তার আগের দিনের ভাইভাও অনেক ভালো হয়েছে! মন একদম ঠিকঠাক!  :আমার কাছে থেকে লুকিয়ে লাভ কি বলো তোহ? আজ ০৭ অক্টোবর!  আর এইদিনে যে তুমি নিজেকে যে লো ফিল সেটা আমার থেকে কেউ ভালো জানবে না।  :আরেহ ওমন কিছু না!  এই তারিখ তো প্রতিবছর আসবেই! আর একবার হলেও নিজের ব্যর্থতা মনে করা উচিত!  তাতে মনের মনোবল শক্ত হয়। :এইসব ভেবে কেনো নিজেকে এমন রাখো! তোমার যেটা ইচ্ছে ছিলো সেটা তুমি পড়ছো! এতে কেনো তুমি নিজেকে.... :প্লিজ আমরা এই টপিকে কথা না বলি?! :নাহ! আজ আমি শুনতে ...

100 Words (Part-02: Systole-Diastole)

: Tell me about Heart sound? : Sir, ................... (Completed my answer fully) :Ok,you can go now! :Thank you Sir. Aasalamualaikum. অবশেষে ভাইভা শেষ হলো! মাঝে রোল থাকাটা ভালো-মন্দ দুইটারই মিশ্রণ!কেননা মাঝে রোল থাকলে প্রথমত অপেক্ষা করা লাগে, আর আগের রোলের আসা-যাওয়া দেখে নিজের মধ্যে আরো টেনশন করে! একদিকে ভালো, একদিকে মন্দ! পরীক্ষা দিতে আর পরীক্ষা প্রিপারেশন নিতে নিতে সময় যেন কিভাবে পার হয়ে যাচ্ছে! সপ্তাহের পর সপ্তাহ পার হয়ে যাচ্ছে চোখের পলকে! শেষ আজ! কালকে শুক্রবার, আরাম করে ঘুম দিবো একটু। দেখি ওর পরীক্ষা শেষ হয়েছে নাকি! লাস্ট দুইদিন টানা পরীক্ষা ছিলো ওর, কালকে রাতেও ঠিকমতো ঘুমাইনি ও!  আশা করি ভালোই হবে তার! .... .... ..... (তার ভাইভা রুমের কাছে আসার পর পরই আমার এক ব্যাচম্যাট আমাকে জানালো ও নাকি পরীক্ষা দিয়েই বের হয়ে গিয়েছে,পরীক্ষা বলে তেমন ভালো হয়নি তার! এটা শুনার পর আমি ফোন বের করে দেখি তার কোনো কল কিংবা ম্যাসেজ নেই। মূলত পরীক্ষা শেষ করে সে সবার আগে আমাকে ফোন দেয়!  আজ না দিয়ে চলে গিয়েছে! বুঝতে দেরি হয়নি যে তার পরীক্ষা খারাপ হয়েছে। আমি তাকে ফোন দিত...

100 Words Part-01 (Articular Facet)

100 Words   (01-Articular Facet) হোস্টেলের কাছে আসার পর, তার হাতগুলো যে ধীরে ধীরে কাপতে শুরু করেছে তা আমার বুঝতে একটু দেরি হয়নি। শেষ ৫/৬ দিন ধরে টানা পরীক্ষা দিতে দিতে আমরা দুইজনেই ক্লান্ত।  তাই আজ হালকা রিফ্রেশমেন্ট-এর জন্য দুজনে একটু ঘুরতে গিয়েছিলাম।তার চেহারা অনেকটা শুকিয়ে গিয়েছিলো, চোখ হালকা ভিতরের দিকে চলে গিয়েছিলো আর হাতে কলমের এলোমেলো দাগ। প্রেসার, চিন্তা আর একগাদা পড়াশুনা সবমিলিয়ে তার মনে যে একটা ভয় তৈরি হয়েছিলো সেটা আমি ২/৩ আগেই বুঝেছিলাম কিন্তু পরীক্ষা নামক গন্দিতে আমরা দুজনেই হারিয়ে গিয়েছিলাম তো বটেই,তার সাথে আমাদের ছোট্ট-মিষ্টি ভালোবাসা গাইটনের ভারে চাপা পড়ে গিয়েছিলো! ভিসেরা আর বোনস এর মাঝে ব্যস্ত আমরা যে কখন একে-অপরের সাথে কথা বলতেই ভুলে গিয়েছিলাম সেটা নিজেদের নজরে খুবই পরে এসেছে। হয়তো মাইক্রোস্কোপ দিয়েও আমাদের ভিতরের অনুভূতি দেখানো মুশকিল হয়ে যেতো এই সময়ে। কার্বহাইড্রেট,প্রোটিন, লিপিড,ভিটামিন আর পানি ঠিকই পড়েই যাচ্ছিলাম,কিন্তু নিজেরাই তা নিজেদের জন্য খেতে ভুলে যাচ্ছিলাম সেটাও আমাদের মাথায় কখনো আসে নি। আজ হয়তো কিছুক্ষণের জন্য আমরা একে-অপরের পাশে ছিলাম কিন্তু ...

সেকেন্ড টাইমার (পর্ব-০১- Try Again?)

    ০৭ অক্টোবর ২০১৮, আমার বন্ধুরা যখন ৩ ঘন্টার পরীক্ষায় মগ্ন ছিলো, ঠিক তখন আমি বাথরুমের এক কোণায় বসে নিজের ব্যর্থতার জন্য জল ফেলছিলাম! বাইরে থেকে আম্মু-আব্বু জোরে জোরে দরজা ধাক্কাছিলো। তাদেরকে কিভাবে নিজের মুখ দেখাবো তা বুঝতে পারছিলাম না!  এরপর দরজা খুলেই আব্বুর পায়ে ধরে বললাম--"মাফ করে দিও বাবা! পারলাম না তোমার স্বপ্ন পূরণ করতে, এমনকি নিজের স্বপ্ন পর্যন্ত পৌছাতেও পারলাম না।সেদিন একসময় চোখের পানিও শুকিয়ে গিয়েছিলো,ব্যর্থতার গ্লানি মুছা অনেক কঠিন। টেবিলের উপর বুয়েট এক্সামের প্রবেশপত্র পরেছিলো,যাইনি পরীক্ষা দিতে! ইচ্ছে ছিলো পরীক্ষা দিতে গিয়ে আরেকবার দেখে আসবো, কিন্তু কে জানতো এই দিনে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল দিবে!........ টানা ২ সপ্তাহের মতো আব্বু সাথে ঠিক মতো কথা বলতে পারিনি।লজ্জায় মাথায় নিচু রাখা ছাড়া আর উপায় ছিলো না আমার। আমাকে বলছিলো অন্যান্য সব জায়গায় পরীক্ষা দিতে কিন্তু স্বপ্ন তো সেই সাদা এপ্রোন। তা ছাড়া যে মন কিছুই মানে না!  বন্ধুরাও বুঝে উঠেছিলো যে,আমি ঠিক নাই!  তারাও আমাকে তাদের সাথে প্রাইভেটে ভর্তি হতে বলছিলো!  আর যারা চান্স পেয়েছি, তারা সেই সম...

It's my LOVE (Now or Never)

সহজ মিশন!  হাতে ৫০০ টাকা, সাথে ৫০ টাকার ভাংতি! কানে হেডফোন, হাতে ঘড়ি (স্মার্টওয়াচ যাতে নিজেকে একটু স্মার্ট লাগে) এবং এলোমেলো প্ল্যান! উম্ম! সাথে কাধে ব্যাগ থাকা দরকার! আ্যাডভেঞ্চার ফিল হওয়া দরকার হালকা! Let's Goooo!! 💥💥 :প্রত্যয়, ভাত খেয়ে বের হউ!  আর গাড়ির ড্রাইভার আসতেসে!  তাই গাড়িতে যাও!  আম্মাজান সুখবর আর দুখের খবর একসাথেই দিলো! এই যাত্রায় বাস ভাড়া ৪০ টাকা বেচে যাবে 😅😅😅 তাড়াতাড়ি খাওয়া শেষ করে ভো দৌড় দিলাম নিচে, আর ড্রাইভার আংকেলকে বললাম, চলেন!🔥🔥 কানে হেডফোন নিয়ে চালু করলাম আজকের থিম সং -- "It's my life-- Bon Jovi" ১০ মিনিট পর, আসাদগেটের কাছে এসে It's my life গান স্লো মোশনে চলা শুরু করলো আমার মাথায়!  কারণ, জ্যামমমমমম!  ঢাকা শহর জ্যাম ছাড়া কল্পনা করাও মুশকিল! আমার সুন্দর ১০ মিনিটের যাত্রা পরিণত ৩০ মিনিটে!  ধানমন্ডি ৩২ আসার সাথে আমি অজয় দেবগান স্টাইলে গাড়ি থেকে নামলাম ,কিন্তু কিন্তু কিন্তু গিফট শপ বন্ধ!  আরেহ লকডাউন তো পরশু থেকে!!  আজকেই অফ করছে কেন!  হ্যাডা! বেশি সচেতন মানুষ! (আর এইদিকে আমি এক ডোজ ভ্যাকসিন দেওয়া পাবলিক) নেমেছিলাম...

Congratulations!

বাসায় জোরো শোরগোলের কারণে নীরবের ঘুম ভেঙে গেলো! উঠিয়ে সে তার বাবার মুখ দেখতে পেলো..... : শুভসকাল বাবা!! : আরে বেটা শুভ সকাল পরে বলিস!  আজকের সকালটা এমনিও শুভ! অভিনন্দন(CONGRATULATIONS) তোকে! অনেক অনেক অভিনন্দন তোকে! এই নে মিষ্টি খা! :আচ্ছা হয়েছি কি!  আগে সেটা বলো!  :পরে শুনিস আগে বাইরে আই! দেখ কে এসেছে তোর সাথে দেখা করতে! (ঘুম ঘুম চোখ নিয়ে রুম থেকে বের হওয়ার পর) :(দাদী,চাচা-চাচী,ফুপা-ফুপু সব হাজির বাসায়)আপনারা এতো সকালে আমাদের বাসায়? চাচা: আরে ব্যাটা!  Congratulations! এতো বড় খুশির সংবাদে আমরা হাজির হবো না!  বোকা ছেলে! দাদী: এই!  এইদিকে আয়!  আমার কাছে আয়!  দোয়া কইরে একটা ফু দিয়ে দেই!  নীরব এখনো কিছু বুঝে উঠতে পারছে না! দাদী ফু দেওয়ার পর বললো যে, সন্তানকে ভালো মতো মানুষ করবি বুঝলি!  যাতে অনেক বড় হয়!  : দাদী,কিসব বলতেস?আমার তো বিয়েই হয়নি!  বাচ্চা কই থেকে আসবে? বাবা: হয়েছে, আর অভিনয় করতে হবে না! আমরা তোর ফোনের মেসেজ পড়েছি!  মেয়ের সাথেও কথা হয়েছে!  একটু পর তারা আমাদের বাসায় আসবে! ঐদিকে তোর মামা-খালু রওনা দিয়েছে!  ...